কলকাতা ব্যুরো: দুই বিজেপি বিধায়কের সাসপেনশন প্রত্যাহারের দাবিতে বিধানসভা অধিবেশন বয়কট করল বিজেপি। বৃহস্পতিবার প্ল্যাকার্ড হাতে বিধানসভা চত্বরে ধরনায় সামিল হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন বিজেপিকে অজ্ঞ দল বলে কটাক্ষ করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
বিধানসভায় হই-হট্টগোলের ঘটনায় বুধবার বিজেপির দুই বিধায়ক মিহির গোস্বামী ও সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হয়। তার প্রতিবাদ ও সাসপেনশন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত ধরনা ও অধিবেশন বয়কটের ডাক দেয় বিজেপি। সেই মতোই বৃহস্পতিবার বিধানসভা অধিবেশনের দ্বিতীয়ভাগ বয়কট করেন বিজেপি বিধায়করা। শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে শুরু হয় ধরনা। ধরনার মাঝেই স্পিকারকে একহাত নেন শুভেন্দু। বলেন, সাসপেনশন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বিধানসভা চলাকালীন সময়ে ধরনা চলবে। আমাদের দুই বিধায়ককে অকারণ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ওনারা বিচার চান। ওনারা নিরাপরাধ।
তবে এদিন বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিজেপির মতো এত অজ্ঞ দল দেখিনি। আমরাও বিরোধী দল ছিলাম। ৩০ টি আসন নিয়ে ২৩৫-এর বিরুদ্ধে লড়েছি। তখন আমাদের বলতে দেওয়া হত না। আর এদের এত সুযোগ দেন স্পিকার। অথচ কিছুতেই সভায় আসে না। বিতর্কে অংশ নেয় না। আর মুখ্যমন্ত্রী সভায় এলেই সব কাগুজে বাঘ হয়ে ওঠে। রাজ্যপালের ভাষণের দিনের আচরণ ও মুখ্যমমন্ত্রীর ভাষণের সময় হট্টগোলের ঘটনায় এদিন নিন্দা প্রস্তাব আনেন পার্থ। তা গৃহীত হয়েছে বলেই খবর। এদিকে এদিন বিধানসভায় দোল উদযাপন করেছে বিজেপি।
অন্যদিকে বিজেপির ধরনা-হট্টগোলের তীব্র নিন্দা করেছেন বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়। বিধানসভায় তিনি বলেন, বিজেপি অধিবেশনে ৬২ মিনিট ধরে হাততালি দিয়ে গেল। আর ভারত মাতা কী জয় করল। প্রথমত হাততালি দেওয়া যায় না। স্পিকারকে অনুরোধ করি ওদের একটা আলাদা জায়গা করে দিন। সারা দিন বসে ভারত মাতা কী জয় করুক।